মঈনুল হক, রাজবাড়ীঃ প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, বাংলাদেশ এখন একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবার অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সবাইকে নিয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। সবার অংশগ্রহণে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপদেষ্টা প্রথমে গোয়ালন্দ পৌরসভার বিজয় বাবুরপাড়া বড়বাড়ি সার্বজনীন পূজামণ্ডপ (মঠ মন্দির) পরিদর্শন করেন। পরে তিনি গোয়ালন্দ বাজার হরিজন সম্প্রদায়ের সার্বজনীন পূজামণ্ডপ, গোয়ালন্দ বাজার গরুহাট সার্বজনীন পূজামণ্ডপ ও বালক সমিতির সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি রাজবাড়ী জেলা শহরের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে যে দর্শন তুলে ধরেছেন, তা হলো—সবার আগে বাংলাদেশ, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ। গত ১৭ বছরে দেশে দুঃশাসন ও নিপীড়নের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
তিনি বলেন, উৎসব-পার্বণে সব মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সব ধর্মের মানুষের পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, সেবায়েতসহ ধর্মীয় ব্যক্তিদের সম্মান জানিয়েছে। পারস্পরিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষও সবার মতোই মানুষ। সবার বড় পরিচয়, আমরা মানুষ এবং সবাই একই সৃষ্টিকর্তার সন্তান। দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে দৃষ্টান্ত রয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে। নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণ সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে। এই অধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে। নারীদের সম্মান অটুট রাখতে হবে। সমাজে সম্প্রীতি, সম্মানবোধ ও মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযথ পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে এবং মাদকের অভিশাপ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে হবে।
এ সময় রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল হাসান, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল হুদা, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন শেখ, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ আহমেদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মোল্লাসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এবং পূজামণ্ডপ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
মঈনুল হক, রাজবাড়ীঃ প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, বাংলাদেশ এখন একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবার অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সবাইকে নিয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। সবার অংশগ্রহণে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপদেষ্টা প্রথমে গোয়ালন্দ পৌরসভার বিজয় বাবুরপাড়া বড়বাড়ি সার্বজনীন পূজামণ্ডপ (মঠ মন্দির) পরিদর্শন করেন। পরে তিনি গোয়ালন্দ বাজার হরিজন সম্প্রদায়ের সার্বজনীন পূজামণ্ডপ, গোয়ালন্দ বাজার গরুহাট সার্বজনীন পূজামণ্ডপ ও বালক সমিতির সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি রাজবাড়ী জেলা শহরের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে যে দর্শন তুলে ধরেছেন, তা হলো—সবার আগে বাংলাদেশ, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ। গত ১৭ বছরে দেশে দুঃশাসন ও নিপীড়নের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
তিনি বলেন, উৎসব-পার্বণে সব মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সব ধর্মের মানুষের পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, সেবায়েতসহ ধর্মীয় ব্যক্তিদের সম্মান জানিয়েছে। পারস্পরিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষও সবার মতোই মানুষ। সবার বড় পরিচয়, আমরা মানুষ এবং সবাই একই সৃষ্টিকর্তার সন্তান। দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে দৃষ্টান্ত রয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে। নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণ সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে। এই অধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে। নারীদের সম্মান অটুট রাখতে হবে। সমাজে সম্প্রীতি, সম্মানবোধ ও মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযথ পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে এবং মাদকের অভিশাপ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে হবে।
এ সময় রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল হাসান, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল হুদা, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন শেখ, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ আহমেদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মোল্লাসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এবং পূজামণ্ডপ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন