সুমন বিশ্বাস, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর পাংশায় নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের স্বর্ণগড়া ঠাকুরের বাগান এলাকা থেকে রাবেয়া বেগম (৩৫) নামের যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে স্বর্ণগড়া ঠাকুরের বাগান এলাকায় স্থানীয় লোকজন একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠায়।
নিহত রাবেয়া বেগম পাংশা উপজেলার নারায়নপুর রেলষ্টেশন সংলগ্ন পানির পাম্পের পূর্ব পাশে এলাকার মৃত হোসেন আলীর মেয়ে। তার আগে মঙ্গলবার (১৮ আগষ্ট) সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আরে ফিরে আসেনি। পরদিন বুধবার সন্ধ্যার দিকে ওই বাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রাবেয়া বেগমের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। স্বামী রমজান আলীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকায় অনেক আগেই বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকে রাবেয়া সন্তানসহ বাবার বাড়ি থাকতেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১৯ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের স্বর্ণগড়া স্থানীয় ঠাকুরের বাগান নামক এলাকায় স্থানীয় লোকজন একটি নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ সন্ধ্যার দিকে তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরবর্তী ঠাকুরের ওই বাগান থেকে যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাঁর মুখমণ্ডল সহ গলায় শ্বাসরোধের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ ছাড়া তার একটি চোখ ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। যুবতীর শরীরের কিছু অংশে পচনও ধরেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাঁকে অন্তত একদিন আগেই শ্বাসরোধ করে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার সকাল থেকে রাবেয়াকে কোথায় খোঁজ করে পাওয়া যাচ্ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, পাশবিক (ধর্ষণ) নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তার একটি চোখও উপড়ে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় তারা হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে রাত হওয়ায় লাশ থানা চত্বরে রাখা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বা ধর্ষণের মতো কিছু ঘটলে উদঘাটন করা সম্ভব। তার আগে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ ইতোমধ্যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করেছে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
সুমন বিশ্বাস, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর পাংশায় নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের স্বর্ণগড়া ঠাকুরের বাগান এলাকা থেকে রাবেয়া বেগম (৩৫) নামের যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে স্বর্ণগড়া ঠাকুরের বাগান এলাকায় স্থানীয় লোকজন একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠায়।
নিহত রাবেয়া বেগম পাংশা উপজেলার নারায়নপুর রেলষ্টেশন সংলগ্ন পানির পাম্পের পূর্ব পাশে এলাকার মৃত হোসেন আলীর মেয়ে। তার আগে মঙ্গলবার (১৮ আগষ্ট) সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আরে ফিরে আসেনি। পরদিন বুধবার সন্ধ্যার দিকে ওই বাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রাবেয়া বেগমের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। স্বামী রমজান আলীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকায় অনেক আগেই বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকে রাবেয়া সন্তানসহ বাবার বাড়ি থাকতেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১৯ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের স্বর্ণগড়া স্থানীয় ঠাকুরের বাগান নামক এলাকায় স্থানীয় লোকজন একটি নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ সন্ধ্যার দিকে তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরবর্তী ঠাকুরের ওই বাগান থেকে যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাঁর মুখমণ্ডল সহ গলায় শ্বাসরোধের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ ছাড়া তার একটি চোখ ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। যুবতীর শরীরের কিছু অংশে পচনও ধরেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাঁকে অন্তত একদিন আগেই শ্বাসরোধ করে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার সকাল থেকে রাবেয়াকে কোথায় খোঁজ করে পাওয়া যাচ্ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, পাশবিক (ধর্ষণ) নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তার একটি চোখও উপড়ে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় তারা হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে রাত হওয়ায় লাশ থানা চত্বরে রাখা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বা ধর্ষণের মতো কিছু ঘটলে উদঘাটন করা সম্ভব। তার আগে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ ইতোমধ্যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন