মঈনুল হক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নির্ধারিত এলাকার বাইরে অবৈধভাবে সার বিক্রির অভিযোগে এক বিসিআইসি সার ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ওই ডিলারের পাচারকৃত ৪০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গোয়ালন্দ বাজারের মুরগী বাজার এলাকায় খন্দকার ফারুক হোসেনের বিসিআইসি সার ডিলার পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসির হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড প্রদান করেন। অভিযানকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সার নীতিমালা অনুযায়ী ডিলারের নিজস্ব অভিক্ষেত্রের কৃষকদের মধ্যে সার বিক্রির কথা। কিন্তু খন্দকার ফারুক হোসেনের প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ফারুক হোসেন’নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে সার বিক্রি করেন। গোয়ালন্দ থেকে নসিমন যোগে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর এলাকায় বিক্রিকালে পথিমধ্যে ভাগলপুর এলাকায় অভিযানে বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে প্রতিষ্ঠানটিকে‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’-এর ৪৫ ধারায় ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান অনাদায়ে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। অভিযানকালে জব্দকৃত সার শর্ত সাপেক্ষে নির্ধারিত এলাকার কৃষকদের মধ্যে বিক্রির জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার বলেন, সরকার নির্ধারিত ডিলারের মাধ্যমে কৃষকরা যাতে ন্যায্য দামে সার পায় সে জন্য আমাদের নিয়মিত মনিটরিং চলছে। ডিলার খন্দকার ফারুকের সার বিক্রির এরিয়া দৌলতদিয়া ইউনিয়ন কৃষকদের নিকট সার বিক্রির নির্দেশনা থাকলেও তিনি নিয়ম ভঙ্গ করে সদর উপজেলায় পাচার করছিলেন। এ অবস্থায় সদর উপজেলার খানখানাপুর নেওয়ার পথে ৪০ বস্তা সার আটক করা হয়। পরে তার সারের গুদামঘরে তদন্ত করে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ে। সার পাচারকারীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসির হাসান খান বলেন, ওই সার ডিলারের সার নীতিমালা অনুযায়ী দৌলতদিয়া এলাকার কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ ও বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে সার বিক্রি করছেন, যা আইনবহির্ভূত। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সার বিক্রিতে অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে সঠিকভাবে বিতরণ ও বিক্রি করা হয়, তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
মঈনুল হক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নির্ধারিত এলাকার বাইরে অবৈধভাবে সার বিক্রির অভিযোগে এক বিসিআইসি সার ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ওই ডিলারের পাচারকৃত ৪০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গোয়ালন্দ বাজারের মুরগী বাজার এলাকায় খন্দকার ফারুক হোসেনের বিসিআইসি সার ডিলার পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসির হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড প্রদান করেন। অভিযানকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সার নীতিমালা অনুযায়ী ডিলারের নিজস্ব অভিক্ষেত্রের কৃষকদের মধ্যে সার বিক্রির কথা। কিন্তু খন্দকার ফারুক হোসেনের প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ফারুক হোসেন’নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে সার বিক্রি করেন। গোয়ালন্দ থেকে নসিমন যোগে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর এলাকায় বিক্রিকালে পথিমধ্যে ভাগলপুর এলাকায় অভিযানে বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে প্রতিষ্ঠানটিকে‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’-এর ৪৫ ধারায় ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান অনাদায়ে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। অভিযানকালে জব্দকৃত সার শর্ত সাপেক্ষে নির্ধারিত এলাকার কৃষকদের মধ্যে বিক্রির জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার বলেন, সরকার নির্ধারিত ডিলারের মাধ্যমে কৃষকরা যাতে ন্যায্য দামে সার পায় সে জন্য আমাদের নিয়মিত মনিটরিং চলছে। ডিলার খন্দকার ফারুকের সার বিক্রির এরিয়া দৌলতদিয়া ইউনিয়ন কৃষকদের নিকট সার বিক্রির নির্দেশনা থাকলেও তিনি নিয়ম ভঙ্গ করে সদর উপজেলায় পাচার করছিলেন। এ অবস্থায় সদর উপজেলার খানখানাপুর নেওয়ার পথে ৪০ বস্তা সার আটক করা হয়। পরে তার সারের গুদামঘরে তদন্ত করে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ে। সার পাচারকারীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসির হাসান খান বলেন, ওই সার ডিলারের সার নীতিমালা অনুযায়ী দৌলতদিয়া এলাকার কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ ও বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে সার বিক্রি করছেন, যা আইনবহির্ভূত। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সার বিক্রিতে অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে সঠিকভাবে বিতরণ ও বিক্রি করা হয়, তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন