রাজবাড়ী মেইল
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা; কালুখালীর খাগজানা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা; কালুখালীর খাগজানা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

গোয়ালন্দের গুণী শিক্ষক, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সুলতান উদ্দিন আহমেদ আর নেই

গোয়ালন্দের গুণী শিক্ষক, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সুলতান উদ্দিন আহমেদ আর নেই

গোয়ালন্দে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভা অনুষ্ঠিত; সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক কাশেম নির্বাচিত

গোয়ালন্দে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভা অনুষ্ঠিত; সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক কাশেম নির্বাচিত

রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যার তিন বছর পর রায়, প্রধান আসামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যার তিন বছর পর রায়, প্রধান আসামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

রাজবাড়ীতে উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যাত্রা শুরু

রাজবাড়ীতে উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যাত্রা শুরু

দৌলতদিয়ায় বাসে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

দৌলতদিয়ায় বাসে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

দৌলতদিয়া টার্মিনালে রেখে গেলেন ভালো বাস, খবর পেয়ে এসে দেখলে আগুনে সব শেষ

দৌলতদিয়া টার্মিনালে রেখে গেলেন ভালো বাস, খবর পেয়ে এসে দেখলে আগুনে সব শেষ

রাজবাড়ীর কালুখালীতে সালেহা সামাদ হেলথ সার্ভিস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, জরিমানা

রাজবাড়ীর কালুখালীতে সালেহা সামাদ হেলথ সার্ভিস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, জরিমানা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সোয়া কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের দুই মাসেই ধস

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সোয়া কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের দুই মাসেই ধস

মঈনুল হক, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার প্রায় সোয়া কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় ধসে পড়তে শুরু করেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এইচবিবি (হেরিং বোন বন্ড) সড়ক। দৌলতদিয়া ইউনিয়নের প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের অন্তত ১৫টি স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় নির্মাণ কাজের মান এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। 

গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্প হয়ে স্থানীয় রিকাতের দোকান পর্যন্ত সড়কটির দেড় কিলোমিটার এলাকা বিধ্বস্ত। চলতি বছরের ১২ মার্চ কাজ শুরু ১০ জুন কাজ শেষ হওয়ার পর এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে বলে আশা জাগলেও বৃষ্টিতে সেই আশা হতাশা ও ক্ষোভে রূপ নিয়েছে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গ্রামীণ রাস্তা টেকসইকরণের লক্ষ্যে রাজবাড়ীর মেসার্স লাকী এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এইচবিবিকরণ প্রকল্পের আওতায় সড়কের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যায় ধরা হয় প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। যার চুক্তিমূল্য ছিল প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে উপজেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। 

সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস সৃষ্টি হয়ে কোথাও ইটের গাইডওয়ালে ফাটল হয়ে নিচের অংশ দেবে গেছে। কয়েক স্থানে ইট উঠে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এছাড়া পুরোনো ও ছিদ্রযুক্ত বিটুমিনের ড্রাম শিট জোড়াতালি দিয়ে ব্যবহার করায় অনেক স্থানে খুলে পড়ছে। এ সময় দুইজন পুরুষ এবং দুইজন নারী শ্রমিককে ধসে পড়া স্থানগুলোতে সংস্কার কাজ করতে দেখা যায়। 

এ সময় আলাউদ্দিন নামের নির্মাণ শ্রমিক বলেন, বৃষ্টির পর গত চারদিন ধরে তারা রাস্তার ধসে পড়া স্থানগুলোতে বাইরে থেকে মাটি এনে মেরামতের কাজ করছেন। একপাশে গাইডওয়াল রয়েছে, অপর পাশে নেই। এক্ষেত্রে ঠিকাদার আমাদের যেভাবে কাজ করতে বলছেন আমরাও সেভাবেই করছি। তবে ভারি বৃষ্টি হলে নতুন রাস্তা হওয়ায় আবারও ধসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।  

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজ চলাকালেই তারা নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদ করায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজের ইচ্ছামতো সামগ্রী ব্যবহার করেই কাজ শেষ করেন।

আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন, “সরকার মানুষের সুবিধার জন্য কোটি টাকা খরচ করেছে। কিন্তু কাজের মান ভালো না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। এখনই যদি এমন হয়, সামনে আরও বৃষ্টি হলে রাস্তার কী অবস্থা হবে?”

স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল মোল্লার অভিযোগ, “সঠিক তদারকির অভাবেই সরকারের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প ঝুঁকিতে পড়ছে। কাজের সময় অভিযোগ করার পরও শেষ পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

স্থানীয় আলতাফ শেখ বলেন, “রাস্তাটি হওয়াতে আমরা খুশি হয়েছিলাম। কাজের শুরুতে ভালোভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু ঠিকাদার আমাদের কথা গুরুত্ব দেননি। যেভাবে কাজ হওয়ার কথা ছিল, সেভাবে হয়নি।”

নিম্নমানের নির্মাণকাজের অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সত্বাধিকারী আহসান হাবিব বলেন, “অতিরিক্ত বৃষ্টির কারনে রাস্তার কয়েক স্থানে ধসে পড়ে। মাটির স্বল্পতা থাকায় মেরামত কাজ করতে দেরি হয়। কয়েকদিন কাজ করে বুধবার শেষ করা হয়েছে। আবার কোথাও ধসে পড়লে প্রয়োজনে ঠিক করা হবে। আগামী এক বছর তো আমার দায়িত্বে থাকবে। তবে আমি শতভাগ কাজ সম্পন্ন করেছি। এমন কাজ সাধারণত কোন ঠিকদার করে না। এছাড়া গাইডওয়াল যেখানে যেখানে ধরা আছে আমরা সেখানেই করেছি। কোনো পাশে যদি ধরা না থাকে, তাহলে আমরা কিভাবে করবো। 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু বকর বলেন, অভিযোগ পাওয়ার ঠিকাদারকে কাজের মান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছিল। বৃষ্টির কারনে কয়েক স্থানে ধস দেখা দিলে ঠিকাদারকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়। ঠিকাদার সে মোতাবেক গত তিন-চারদিন কাজও করেছেন। এছাড়া ঠিকাদার বিল তুলে নিলেও জামানত, পে-অর্ডার ও পারফরমেন্সের ৩ শতাংশ টাকা এখনও আমাদের কাছে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
রাজবাড়ী মেইল

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সোয়া কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের দুই মাসেই ধস

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মঈনুল হক, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার প্রায় সোয়া কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় ধসে পড়তে শুরু করেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এইচবিবি (হেরিং বোন বন্ড) সড়ক। দৌলতদিয়া ইউনিয়নের প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের অন্তত ১৫টি স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় নির্মাণ কাজের মান এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। 

গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্প হয়ে স্থানীয় রিকাতের দোকান পর্যন্ত সড়কটির দেড় কিলোমিটার এলাকা বিধ্বস্ত। চলতি বছরের ১২ মার্চ কাজ শুরু ১০ জুন কাজ শেষ হওয়ার পর এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে বলে আশা জাগলেও বৃষ্টিতে সেই আশা হতাশা ও ক্ষোভে রূপ নিয়েছে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গ্রামীণ রাস্তা টেকসইকরণের লক্ষ্যে রাজবাড়ীর মেসার্স লাকী এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এইচবিবিকরণ প্রকল্পের আওতায় সড়কের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যায় ধরা হয় প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। যার চুক্তিমূল্য ছিল প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে উপজেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। 

সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস সৃষ্টি হয়ে কোথাও ইটের গাইডওয়ালে ফাটল হয়ে নিচের অংশ দেবে গেছে। কয়েক স্থানে ইট উঠে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এছাড়া পুরোনো ও ছিদ্রযুক্ত বিটুমিনের ড্রাম শিট জোড়াতালি দিয়ে ব্যবহার করায় অনেক স্থানে খুলে পড়ছে। এ সময় দুইজন পুরুষ এবং দুইজন নারী শ্রমিককে ধসে পড়া স্থানগুলোতে সংস্কার কাজ করতে দেখা যায়। 

এ সময় আলাউদ্দিন নামের নির্মাণ শ্রমিক বলেন, বৃষ্টির পর গত চারদিন ধরে তারা রাস্তার ধসে পড়া স্থানগুলোতে বাইরে থেকে মাটি এনে মেরামতের কাজ করছেন। একপাশে গাইডওয়াল রয়েছে, অপর পাশে নেই। এক্ষেত্রে ঠিকাদার আমাদের যেভাবে কাজ করতে বলছেন আমরাও সেভাবেই করছি। তবে ভারি বৃষ্টি হলে নতুন রাস্তা হওয়ায় আবারও ধসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।  

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজ চলাকালেই তারা নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদ করায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজের ইচ্ছামতো সামগ্রী ব্যবহার করেই কাজ শেষ করেন।

আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন, “সরকার মানুষের সুবিধার জন্য কোটি টাকা খরচ করেছে। কিন্তু কাজের মান ভালো না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। এখনই যদি এমন হয়, সামনে আরও বৃষ্টি হলে রাস্তার কী অবস্থা হবে?”

স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল মোল্লার অভিযোগ, “সঠিক তদারকির অভাবেই সরকারের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প ঝুঁকিতে পড়ছে। কাজের সময় অভিযোগ করার পরও শেষ পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

স্থানীয় আলতাফ শেখ বলেন, “রাস্তাটি হওয়াতে আমরা খুশি হয়েছিলাম। কাজের শুরুতে ভালোভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু ঠিকাদার আমাদের কথা গুরুত্ব দেননি। যেভাবে কাজ হওয়ার কথা ছিল, সেভাবে হয়নি।”

নিম্নমানের নির্মাণকাজের অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সত্বাধিকারী আহসান হাবিব বলেন, “অতিরিক্ত বৃষ্টির কারনে রাস্তার কয়েক স্থানে ধসে পড়ে। মাটির স্বল্পতা থাকায় মেরামত কাজ করতে দেরি হয়। কয়েকদিন কাজ করে বুধবার শেষ করা হয়েছে। আবার কোথাও ধসে পড়লে প্রয়োজনে ঠিক করা হবে। আগামী এক বছর তো আমার দায়িত্বে থাকবে। তবে আমি শতভাগ কাজ সম্পন্ন করেছি। এমন কাজ সাধারণত কোন ঠিকদার করে না। এছাড়া গাইডওয়াল যেখানে যেখানে ধরা আছে আমরা সেখানেই করেছি। কোনো পাশে যদি ধরা না থাকে, তাহলে আমরা কিভাবে করবো। 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু বকর বলেন, অভিযোগ পাওয়ার ঠিকাদারকে কাজের মান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছিল। বৃষ্টির কারনে কয়েক স্থানে ধস দেখা দিলে ঠিকাদারকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়। ঠিকাদার সে মোতাবেক গত তিন-চারদিন কাজও করেছেন। এছাড়া ঠিকাদার বিল তুলে নিলেও জামানত, পে-অর্ডার ও পারফরমেন্সের ৩ শতাংশ টাকা এখনও আমাদের কাছে রয়েছে।


রাজবাড়ী মেইল

সম্পাদক: রাশেদ ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৫ । সর্বস্ব সংরক্ষিত রাজবাড়ী মেইল