শামীম শেখ, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা অটোরিক্সা ও ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের সক্রিয় দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা মোড় এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মরাগাছা হিজলাকর এলাকার মোহাম্মদ জিন্দার আলীর ছেলে মোহাম্মদ জিয়ারুল ইসলাম হৃদয় (২৩) ও একই উপজেলার কান্দাবাড়ী গ্রামের নুরুদ্দিন শেখ এর ছেলে মো. শিপন শেখ (২৮)। তাদেরকে আজ বুধবার বিকেলের দিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২২ জুলাই বিকেলে চক্রের একজন বোরকা পরিহিত নারী এবং দুইজন পুরুষ সদস্য ফরিদপুরের কাঁচারিটেক থেকে সদর উপজেলার সুইচগেট এলাকার মাজেদ বেপারীর ছেলে হাসান বেপারীর (২০) অটোরিক্সা মমিনখাঁরহাট যাওয়ার কথা বলে ভাড়া করে। প্রথমে তাঁকে গোয়ালন্দ-ফরিদপুর-তাড়াইল সড়কের মোহাম্মদপুর এলাকায় যায়। সেখান থেকে শিবরামপুরসহ কয়েকটি স্থানে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা শেষে রাত ঘনিয়ে আসায় তাকে মুড়ির সাথে চেতনানাশক কিছু খাওয়ালে অচেতন হয়ে পড়ে। দুর্বৃত্তরা অটোরিক্সাটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রাত ৯টার দিকে গোয়ালন্দ গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ফেলে অটোরিক্সা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার পরিবারের লোকজন হাসান বেপারীকে ফরিদপুর নিয়ে যায়।
এ ঘটনার তিনদিন পর হাসান বেপারীর ভাই শামীম বেপারী বাদী হয়ে ২৬ জুলাই গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত করাসহ অটোরিক্সা উদ্ধারে তৎপর হয়ে উঠে। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা মোড় এলাকা থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে অটোরিক্সা বা ইজিবাইক চালকদের পানীয় বা বিভিন্ন ধরনের খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে অজ্ঞান করার পর অটোরিক্সা বা ইজিবাইক ছিনিয়ে নিত। চক্রের সঙ্গে স্থানীয় অনেকে জড়িত রয়েছে। পুলিশ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বুধবার বিকেলের দিকে তিনদিনের রিমাÐের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
শামীম শেখ, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা অটোরিক্সা ও ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের সক্রিয় দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা মোড় এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মরাগাছা হিজলাকর এলাকার মোহাম্মদ জিন্দার আলীর ছেলে মোহাম্মদ জিয়ারুল ইসলাম হৃদয় (২৩) ও একই উপজেলার কান্দাবাড়ী গ্রামের নুরুদ্দিন শেখ এর ছেলে মো. শিপন শেখ (২৮)। তাদেরকে আজ বুধবার বিকেলের দিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২২ জুলাই বিকেলে চক্রের একজন বোরকা পরিহিত নারী এবং দুইজন পুরুষ সদস্য ফরিদপুরের কাঁচারিটেক থেকে সদর উপজেলার সুইচগেট এলাকার মাজেদ বেপারীর ছেলে হাসান বেপারীর (২০) অটোরিক্সা মমিনখাঁরহাট যাওয়ার কথা বলে ভাড়া করে। প্রথমে তাঁকে গোয়ালন্দ-ফরিদপুর-তাড়াইল সড়কের মোহাম্মদপুর এলাকায় যায়। সেখান থেকে শিবরামপুরসহ কয়েকটি স্থানে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা শেষে রাত ঘনিয়ে আসায় তাকে মুড়ির সাথে চেতনানাশক কিছু খাওয়ালে অচেতন হয়ে পড়ে। দুর্বৃত্তরা অটোরিক্সাটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রাত ৯টার দিকে গোয়ালন্দ গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ফেলে অটোরিক্সা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার পরিবারের লোকজন হাসান বেপারীকে ফরিদপুর নিয়ে যায়।
এ ঘটনার তিনদিন পর হাসান বেপারীর ভাই শামীম বেপারী বাদী হয়ে ২৬ জুলাই গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত করাসহ অটোরিক্সা উদ্ধারে তৎপর হয়ে উঠে। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা মোড় এলাকা থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে অটোরিক্সা বা ইজিবাইক চালকদের পানীয় বা বিভিন্ন ধরনের খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে অজ্ঞান করার পর অটোরিক্সা বা ইজিবাইক ছিনিয়ে নিত। চক্রের সঙ্গে স্থানীয় অনেকে জড়িত রয়েছে। পুলিশ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বুধবার বিকেলের দিকে তিনদিনের রিমাÐের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন