হেলাল মাহমুদ ও মঈনুল হক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা করেছে বিএনপি। সভায় জেলার সার ডিলার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির নেতারা। তাঁরা নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলার চর খানখানাপুর বড় ঈদগাহ কমপ্লেক্স চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রাজবাড়ী সদর ও পৌর বিএনপি এবং গোয়ালন্দ উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাজবাড়ী সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি ও রাজবাড়ী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আসলাম মিয়া।
অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন চর খানখানাপুর বড় ঈদগাহ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন রাজবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দিন শেখ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কাসেম মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক খান ও গোয়ালন্দ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আবু সাঈদ মণ্ডল প্রমূখ।
সভায় বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর নানা অন্যায়-নির্যাতনের শিকার হওয়া দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা এখনো যথাযথ মূল্যায়ন পাননি।
তাঁদের অভিযোগ, এর পরিবর্তে সুবিধাবাদী ও হাইব্রিড নেতাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত বিএনপির নেতা-কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
সভাপতির বক্তব্যে আবুল হোসেন গাজী অভিযোগ করেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মঞ্জুরুল আলম দুলালকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পৌরসভা এলাকায় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আহসান হাবিব ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নঈম আনসারীকেও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কেউই প্রকৃত ব্যবসায়ী নন বলে দাবি করেন তিনি।
আবুল হোসেন গাজী বলেন, নতুন করে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের সার ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।
অভিযোগের বিষয়ে দাদশী ইউনিয়নের নিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলার ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মঞ্জুরুল আলম দুলাল বলেন, তিনি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে জড়িত। ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে এবং পরে জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সব নিয়ম মেনেই তাঁকে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়নি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া বলেন, যাঁরা প্রকৃত অর্থে বিএনপি করেন, তাঁদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা হবে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
হেলাল মাহমুদ ও মঈনুল হক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা করেছে বিএনপি। সভায় জেলার সার ডিলার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির নেতারা। তাঁরা নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলার চর খানখানাপুর বড় ঈদগাহ কমপ্লেক্স চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রাজবাড়ী সদর ও পৌর বিএনপি এবং গোয়ালন্দ উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাজবাড়ী সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি ও রাজবাড়ী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আসলাম মিয়া।
অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন চর খানখানাপুর বড় ঈদগাহ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন রাজবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দিন শেখ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কাসেম মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক খান ও গোয়ালন্দ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আবু সাঈদ মণ্ডল প্রমূখ।
সভায় বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর নানা অন্যায়-নির্যাতনের শিকার হওয়া দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা এখনো যথাযথ মূল্যায়ন পাননি।
তাঁদের অভিযোগ, এর পরিবর্তে সুবিধাবাদী ও হাইব্রিড নেতাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত বিএনপির নেতা-কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
সভাপতির বক্তব্যে আবুল হোসেন গাজী অভিযোগ করেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মঞ্জুরুল আলম দুলালকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পৌরসভা এলাকায় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আহসান হাবিব ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নঈম আনসারীকেও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কেউই প্রকৃত ব্যবসায়ী নন বলে দাবি করেন তিনি।
আবুল হোসেন গাজী বলেন, নতুন করে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের সার ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।
অভিযোগের বিষয়ে দাদশী ইউনিয়নের নিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলার ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মঞ্জুরুল আলম দুলাল বলেন, তিনি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে জড়িত। ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে এবং পরে জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সব নিয়ম মেনেই তাঁকে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়নি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া বলেন, যাঁরা প্রকৃত অর্থে বিএনপি করেন, তাঁদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা হবে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

আপনার মতামত লিখুন