মঈন মৃধা, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং গোয়ালন্দ ঘাট থানার সাবেক ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নছর উদ্দিন সরদার পাড়ায় সংবাদ সম্মেলন শেষে উপজেলা পরিষদের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে এলাকাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে শতাধিক মানুষ অংশ নেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান ফকির লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় সাইদুর রহমানের পরিবারের সদস্য আক্তার শেখ, উজ্জল শেখ, আবু বক্কর ফকির সহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
তবে এ অভিযোগের কোন সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারগণ। বরং সাইদুর রহমান সহ গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে সাইদুর রহমান অভিযোগ করেন, ২০২২ সালের ১৭ জুন তাঁর স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরের জাহিদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর স্ত্রী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। ওই সময় রাতে তাঁর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে এবং তাঁর ছেলে আরিফ শেখকে নিয়ে কথা বলা হয়।
সাইদুর রহমান বলেন, গোয়ালন্দ ঘাট থানার তৎকালীন ওসি স্বপন কুমার মজুমদারের নির্দেশে এসআই শামীম দেওয়ানসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়। এ সময় তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। এক পর্যায়ে ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার পর বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলা হলেও পরে আরও ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
তিনি অভিযোগ বলেন, ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে শোয়েব নামে এক যুবককে আটক করে মারধরের মাধ্যমে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের নাম বলানো হয় এবং তাঁকে একটি হত্যা মামলায় আসামি করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন দাবি করে মামলাটি প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান সাইদুর।
তিনি বলেন, তিনি বিএনপি পরিবারের লোক হওয়ায় সাবেক ওসি স্বপন কুমার মজুমদার ও এসআই শামীম দেওয়ান পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা মামলায় আসামি করেছেন। তিনি এ মামলা থেকে অব্যাহতি এবং সংশ্লিষ্ট সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মুঠোফোনে সাবেক ওসি স্বপন কুমার মজুমদার ও এসআই শামীম দেওয়ান বলেন, হত্যা মামলার আসামী হিসেবে সাইদুর রহমান ওরফে সাইদ ফকিরসহ গ্রেপ্তারকৃত তিনজন বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এখানে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন প্রকার জবরদস্তি করা হয়নি। এছাড়া চাঁদাদাবির অভিযোগেরও কোন সত্যতা নেই।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
মঈন মৃধা, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং গোয়ালন্দ ঘাট থানার সাবেক ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নছর উদ্দিন সরদার পাড়ায় সংবাদ সম্মেলন শেষে উপজেলা পরিষদের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে এলাকাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে শতাধিক মানুষ অংশ নেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান ফকির লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় সাইদুর রহমানের পরিবারের সদস্য আক্তার শেখ, উজ্জল শেখ, আবু বক্কর ফকির সহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
তবে এ অভিযোগের কোন সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারগণ। বরং সাইদুর রহমান সহ গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে সাইদুর রহমান অভিযোগ করেন, ২০২২ সালের ১৭ জুন তাঁর স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরের জাহিদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর স্ত্রী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। ওই সময় রাতে তাঁর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে এবং তাঁর ছেলে আরিফ শেখকে নিয়ে কথা বলা হয়।
সাইদুর রহমান বলেন, গোয়ালন্দ ঘাট থানার তৎকালীন ওসি স্বপন কুমার মজুমদারের নির্দেশে এসআই শামীম দেওয়ানসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়। এ সময় তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। এক পর্যায়ে ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার পর বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলা হলেও পরে আরও ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
তিনি অভিযোগ বলেন, ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে শোয়েব নামে এক যুবককে আটক করে মারধরের মাধ্যমে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের নাম বলানো হয় এবং তাঁকে একটি হত্যা মামলায় আসামি করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন দাবি করে মামলাটি প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান সাইদুর।
তিনি বলেন, তিনি বিএনপি পরিবারের লোক হওয়ায় সাবেক ওসি স্বপন কুমার মজুমদার ও এসআই শামীম দেওয়ান পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা মামলায় আসামি করেছেন। তিনি এ মামলা থেকে অব্যাহতি এবং সংশ্লিষ্ট সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মুঠোফোনে সাবেক ওসি স্বপন কুমার মজুমদার ও এসআই শামীম দেওয়ান বলেন, হত্যা মামলার আসামী হিসেবে সাইদুর রহমান ওরফে সাইদ ফকিরসহ গ্রেপ্তারকৃত তিনজন বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এখানে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন প্রকার জবরদস্তি করা হয়নি। এছাড়া চাঁদাদাবির অভিযোগেরও কোন সত্যতা নেই।

আপনার মতামত লিখুন