নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি মীর মশাররফ হোসেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলামের (৬০) দাফন সম্পন্ন হেয়েছে। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি গোয়ালন্দ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কুমড়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
কামরুল ইসলাম প্রথম আলো গোয়ালন্দ বন্ধুসভার দীর্ঘদিন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে সংগঠনটির উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, কামরুল ইসলাম বালিয়াকান্দির বারোকগ্রাম এলাকায় তাঁর শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গত রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে অসুস্থ বোধ করার পর তিনি বমি করেন। দ্রুত তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর মস্তিষ্কে স্ট্রোক হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানান। অবস্থার অবনতি হলে ওই রাতেই তাঁকে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে সহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে কুমড়াকান্দি অবস্থিত মোস্তফা মুন্সী বিদ্যাপীঠ মাঠে তাঁর জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে গোয়ালন্দ পৌরসভার কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়। কামরুল ইসলামের মৃত্যুতে প্রথম আলো গোয়ালন্দ ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার সদস্যরা শোক প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি মীর মশাররফ হোসেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলামের (৬০) দাফন সম্পন্ন হেয়েছে। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি গোয়ালন্দ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কুমড়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
কামরুল ইসলাম প্রথম আলো গোয়ালন্দ বন্ধুসভার দীর্ঘদিন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে সংগঠনটির উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, কামরুল ইসলাম বালিয়াকান্দির বারোকগ্রাম এলাকায় তাঁর শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গত রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে অসুস্থ বোধ করার পর তিনি বমি করেন। দ্রুত তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর মস্তিষ্কে স্ট্রোক হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানান। অবস্থার অবনতি হলে ওই রাতেই তাঁকে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে সহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে কুমড়াকান্দি অবস্থিত মোস্তফা মুন্সী বিদ্যাপীঠ মাঠে তাঁর জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে গোয়ালন্দ পৌরসভার কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়। কামরুল ইসলামের মৃত্যুতে প্রথম আলো গোয়ালন্দ ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার সদস্যরা শোক প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন