নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ যাত্রী ও ঘাটসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা জোরদার করতে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে চারটি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পন্টুনে যানবাহনের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে বসানো হয়েছে লোহার হাইড্রোলিক ব্যারিয়ার।
এ ছাড়া নাব্যতা-সংকটে বন্ধ থাকা ৭ নম্বর ঘাট চালু করতে শুরু হয়েছে ড্রেজিং। অন্য ঘাটগুলোও প্রস্তুত করা হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে দৌলতদিয়া ঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে এ ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে। যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে পারাপার হতে পারেন, সে জন্য ফেরি ও লঞ্চঘাটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে তাঁরা এসেছেন। যাত্রীসেবার মান বাড়াতে মনিটরিং ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে বিকেল তিনটার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে স্পিডবোটে পদ্মা নদী পেরিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’ নামের একটি রো রো ফেরিতে ওঠেন। এ সময় ফেরির ভেতরের অব্যবস্থাপনা তাঁর নজরে আসে। তিনি কর্মীদের হাজিরা খাতা পরীক্ষা করে দেখেন, সাতজন কর্মীর দায়িত্বে থাকার কথা থাকলেও উপস্থিত ছিলেন পাঁচজন। অনুমোদন ছাড়া অনুপস্থিতি ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান মো. মহিদুল ইসলাম, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল হুদা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক (বাণিজ্য) মো. আশিকুজ্জামান, সংস্থাটির জিএম (মেরিন) বাপ্পী কুমার অধিকারী, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম, দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ওসি ত্রিনাথ সাহা, বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহমেদ, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতানুল ইসলাম মুন্নু ও সাধারণ সম্পাদক মোশারফ আহমেদ প্রমুখ।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ যাত্রী ও ঘাটসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা জোরদার করতে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে চারটি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পন্টুনে যানবাহনের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে বসানো হয়েছে লোহার হাইড্রোলিক ব্যারিয়ার।
এ ছাড়া নাব্যতা-সংকটে বন্ধ থাকা ৭ নম্বর ঘাট চালু করতে শুরু হয়েছে ড্রেজিং। অন্য ঘাটগুলোও প্রস্তুত করা হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে দৌলতদিয়া ঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে এ ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে। যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে পারাপার হতে পারেন, সে জন্য ফেরি ও লঞ্চঘাটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে তাঁরা এসেছেন। যাত্রীসেবার মান বাড়াতে মনিটরিং ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে বিকেল তিনটার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে স্পিডবোটে পদ্মা নদী পেরিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’ নামের একটি রো রো ফেরিতে ওঠেন। এ সময় ফেরির ভেতরের অব্যবস্থাপনা তাঁর নজরে আসে। তিনি কর্মীদের হাজিরা খাতা পরীক্ষা করে দেখেন, সাতজন কর্মীর দায়িত্বে থাকার কথা থাকলেও উপস্থিত ছিলেন পাঁচজন। অনুমোদন ছাড়া অনুপস্থিতি ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান মো. মহিদুল ইসলাম, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল হুদা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক (বাণিজ্য) মো. আশিকুজ্জামান, সংস্থাটির জিএম (মেরিন) বাপ্পী কুমার অধিকারী, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম, দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ওসি ত্রিনাথ সাহা, বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহমেদ, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতানুল ইসলাম মুন্নু ও সাধারণ সম্পাদক মোশারফ আহমেদ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন