ইমরান মনিম, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পাটবোঝাই একটি কার্গোট্রাক থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক, তাঁর সহকারী ও ট্রাকে থাকা এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। ইয়াবাগুলো যশোরে নেওয়া হচ্ছিল।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বাইপাস সড়কের শাহাদাত মেম্বার পাড়ায় বিশেষ তল্লাশিচৌকি বসিয়ে ট্রাকটি আটক করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯০ লাখ টাকা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার গয়ড়া গ্রামের আমিন উদ্দিনের ছেলে মো. রমজান আলী (৩৪), একই থানার দীঘীপাড়া গ্রামের মৃত কাওছার আলীর ছেলে ট্রাকচালক মো. আরমান হোসেন ওরফে ইউনুস (৩০) এবং একই থানার কাগমারী গ্রামের মালেক মোড়লের ছেলে ট্রাকের সহকারী মো. আরিফ হোসেন (৩২)। সোমবার বিকেল চারটার দিকে রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা জানতে পারেন, পদ্মা নদী পার হয়ে যশোরের দিকে যাওয়া পাটবোঝাই একটি কার্গোট্রাকে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ভোররাতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট টার্মিনাল সড়কে অবস্থান নেয়।
ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ট্রাকটি ফেরি পার হয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছালে পুলিশ সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় চালকের আসনের পেছনে থাকা রমজান আলী, চালক ও তাঁর সহকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের পেছনে সিটের নিচে বিশেষ কৌশলে রাখা ১৫০টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটে প্রায় তিন কেজি ওজনের ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল বলে জানায় পুলিশ।
এ সময় ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-১১১৮ নম্বরের ট্রাকটি জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দুটি স্মার্টফোন ও একটি বাটন ফোনও জব্দ করে পুলিশ। পরে দুপুরে গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জেলা পুলিশ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। উদ্ধার করা মাদকের চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামসুল হক, ডিবির ওসি মো. মফিজুল ইসলাম ও গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
ইমরান মনিম, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পাটবোঝাই একটি কার্গোট্রাক থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক, তাঁর সহকারী ও ট্রাকে থাকা এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। ইয়াবাগুলো যশোরে নেওয়া হচ্ছিল।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বাইপাস সড়কের শাহাদাত মেম্বার পাড়ায় বিশেষ তল্লাশিচৌকি বসিয়ে ট্রাকটি আটক করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯০ লাখ টাকা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার গয়ড়া গ্রামের আমিন উদ্দিনের ছেলে মো. রমজান আলী (৩৪), একই থানার দীঘীপাড়া গ্রামের মৃত কাওছার আলীর ছেলে ট্রাকচালক মো. আরমান হোসেন ওরফে ইউনুস (৩০) এবং একই থানার কাগমারী গ্রামের মালেক মোড়লের ছেলে ট্রাকের সহকারী মো. আরিফ হোসেন (৩২)। সোমবার বিকেল চারটার দিকে রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা জানতে পারেন, পদ্মা নদী পার হয়ে যশোরের দিকে যাওয়া পাটবোঝাই একটি কার্গোট্রাকে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ভোররাতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট টার্মিনাল সড়কে অবস্থান নেয়।
ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ট্রাকটি ফেরি পার হয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছালে পুলিশ সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় চালকের আসনের পেছনে থাকা রমজান আলী, চালক ও তাঁর সহকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের পেছনে সিটের নিচে বিশেষ কৌশলে রাখা ১৫০টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটে প্রায় তিন কেজি ওজনের ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল বলে জানায় পুলিশ।
এ সময় ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-১১১৮ নম্বরের ট্রাকটি জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দুটি স্মার্টফোন ও একটি বাটন ফোনও জব্দ করে পুলিশ। পরে দুপুরে গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জেলা পুলিশ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। উদ্ধার করা মাদকের চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামসুল হক, ডিবির ওসি মো. মফিজুল ইসলাম ও গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন