ইমরান মনিম, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুরে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে শিশুটির বাবা থানায় মামলা করার পর সোমবার দিবাগত মধ্যরাতেই নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বসন্তপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মৃত মালু খাঁর ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে শিশুটির বাবা রাজবাড়ী সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। পরে সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশের একটি দল সাইফুল খাঁকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই শিহাব আহমেদ, এসআই সাব্বির আহমেদসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে সাইফুল খাঁকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর সকাল ছয়টার দিকে শিশুটি বাড়ি থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে একটি বাড়ির পেছনে আমড়া কুড়াতে যায়। এ সময় সাইফুল খাঁ তাকে একা পেয়ে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে একটি বাঁশবাগানে নিয়ে যান। সেখানে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, শিশুটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে সাইফুল খাঁ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে শিশুটিকে রক্তক্ষরণ ও অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ জানান, ১ অক্টোবর ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও স্থানীয়ভাবে উভয় পরিবার মীমাংসার চেষ্টা করছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আমাদের থানা পর্যন্ত সংবাদ চলে আসে। পরে সোমবার রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলেও ওইদিন মধ্যরাতেই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত সাইফুল খাঁকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে পাঠানোর পর বিজ্ঞ আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ইমরান মনিম, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুরে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে শিশুটির বাবা থানায় মামলা করার পর সোমবার দিবাগত মধ্যরাতেই নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বসন্তপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মৃত মালু খাঁর ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে শিশুটির বাবা রাজবাড়ী সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। পরে সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশের একটি দল সাইফুল খাঁকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই শিহাব আহমেদ, এসআই সাব্বির আহমেদসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে সাইফুল খাঁকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর সকাল ছয়টার দিকে শিশুটি বাড়ি থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে একটি বাড়ির পেছনে আমড়া কুড়াতে যায়। এ সময় সাইফুল খাঁ তাকে একা পেয়ে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে একটি বাঁশবাগানে নিয়ে যান। সেখানে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, শিশুটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে সাইফুল খাঁ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে শিশুটিকে রক্তক্ষরণ ও অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ জানান, ১ অক্টোবর ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও স্থানীয়ভাবে উভয় পরিবার মীমাংসার চেষ্টা করছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আমাদের থানা পর্যন্ত সংবাদ চলে আসে। পরে সোমবার রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলেও ওইদিন মধ্যরাতেই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত সাইফুল খাঁকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে পাঠানোর পর বিজ্ঞ আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন