রাজবাড়ী মেইল
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন

রাজবাড়ীতে ১৮ শিল্পী গভীররাত পর্যন্ত গাইলেন বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান

রাজবাড়ীতে ১৮ শিল্পী গভীররাত পর্যন্ত গাইলেন বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান

বর্তমান সরকার টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার পুরো পরিকল্পনা করেছে -রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

বর্তমান সরকার টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার পুরো পরিকল্পনা করেছে -রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

আগামী ছয় মাসের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ শুরু হবে, বদলে যাবে ২৪ জেলার অর্থনীতি -পানিসম্পদমন্ত্রী

আগামী ছয় মাসের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ শুরু হবে, বদলে যাবে ২৪ জেলার অর্থনীতি -পানিসম্পদমন্ত্রী

গোয়ালন্দের স্বজ্জন ব্যাক্তি কোবাদ হোসেনের দাফন সম্পন্ন

গোয়ালন্দের স্বজ্জন ব্যাক্তি কোবাদ হোসেনের দাফন সম্পন্ন

রাজবাড়ীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে রাজবাড়ীতে র্যালি ও আলোচনা সভা

রাজবাড়ীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে রাজবাড়ীতে র্যালি ও আলোচনা সভা

 কৃষিপণ্যে ধলতা বাতিল, সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিতরণসহ ১০ দফা দাবীতে বিক্ষোভ

কৃষিপণ্যে ধলতা বাতিল, সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিতরণসহ ১০ দফা দাবীতে বিক্ষোভ

তীব্র স্রোতে চারদিন ধরে বন্ধ ফেরি, ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌরুটে ভোগান্তি

তীব্র স্রোতে চারদিন ধরে বন্ধ ফেরি, ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌরুটে ভোগান্তি

রাজবাড়ীতে ১৮ শিল্পী গভীররাত পর্যন্ত গাইলেন বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান

রাজবাড়ীতে ১৮ শিল্পী গভীররাত পর্যন্ত গাইলেন বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ মানুষের জীবন, প্রেম, বিরহ, সমাজ ও দর্শনের কথা বলে যাওয়া বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমকে গান ও আলোচনায় স্মরণ করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাজবাড়ী পৌর শহরের আজাদী ময়দান মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠানটি হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠন  ‘মুক্ত আনন্দ, রাজবাড়ী’।

আয়োজকেরা জানান, বাউলসাধক শাহ আবদুল করিম ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দেহত্যাগ করেন। ১৯১৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী এই সাধকের গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ছিল ১৮তম মৃত্যুদিবস। মহান এই শিল্পী 'আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম', 'বন্দে মায়া লাগাইছে', 'আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা'-সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের রচয়িতা।

সন্ধ্যায় বাউলগানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। মাঝখানে ছিল আলোচনা পর্ব। এরপর আবারও বাউলগান শুরু হয়ে রাত ১১টায় পরিবেশনা শেষ হয়।

আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজ পারভীন। মুখ্য আলোচকের বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লোকসংস্কৃতি গবেষক ও শাহ আব্দুল করিম-জীবনীকার সাংবাদিক সুমনকুমার দাশ।

প্রধান অতিথি আফরোজা পারভীন বক্তব্যে বলেন, 'আমরা শাহ আবদুল করিমের গান শুনি। গানগুলো কিন্তু আমাদের অভিভূত করে। বন্দে মায়া লাগাইছে, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম, এ গানগুলো শুধুমাত্র গান নয়, এগুলো কালজয়ী স্মৃতি। এ গানগুলো আমাদের হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। গানগুলো মানুষে মানুষে সম্প্রীতি, মানুষে মানুষে ভালোবাসা এবং সমতা-মানবতার কথা বলে। এ গান থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। যেটা মানুষ হিসেবে আমাদের মানবিক বৈশিষ্টগুলোকে উন্নত করবে এবং আমরা কিভাবে সমাজে সম্প্রীতি বজায় রাখতে পারবো দীক্ষা নেই।'

আলোচনা পর্বের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠন ‘মুক্ত আনন্দ’র সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস তালুকদার। কবি পারভীন হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল হাসান এবং রাজবাড়ী জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি এম বাচ্চু রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মো. আজিজুল হক, সাংস্কৃতিক সংগঠক কাজী মিজানুর রহমান পলাশ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মীর মশাররফ হোসেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাজ্জাকুল আলম। এ সময় জেলার নানা শ্রেণি পেশার মানুষ অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। 

অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক হিসেবে সুমনকুমার দাশ শাহ আবদুল করিমের জীবন ও কর্মের পাশাপাশি প্রয়াত বাউলের শেষ দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন। করিমের জীবন ও দর্শনের এই গবেষক বক্তব্যে বলেন, 'শাহ আবদুল করিম নিজে যা বিশ্বাস করতেন, সেটা তাঁর গানেও প্রকাশ করতেন। মনুষ্যত্ববোধ, সততা, নির্লোভ মনোভাব ছিল তাঁর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখার কারণেও তাঁর গান বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।'

আলোচনা পর্বের পর অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক শাহ আবদুল করিমের প্রথম জীবনীকার সুমনকুমার দাশকে সম্মাননা-ক্রেস্ট ও রাজবাড়ীর ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে রচিত বই উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। পরে আবারও গানের পরিবেশনা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে নবীন-প্রবীণ ১৮ জন শিল্পী শাহ আবদুল করিমের প্রচলিত ও অপ্রচলিত গান পরিবেশন করেন। 

শিল্পীদের মধ্যে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল হাসান--‘গান গাই আমার মনকে বুঝাই, মন থাকে পাগল পাড়া’, শিল্পী কাজী মিজানুর রহমান পলাশ-‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু-ছাইড়া যাইবা যদি’, জান্নাতুল ফেরদৌস মিমি-‘বন্ধে মাইয়া লাগাইছে-পিরিতি শিখাইছে’- এমন জনপ্রিয় গান সহ সুমন আহম্মেদ, আশরাফুল আলম, সুমনা বাউল, দুলাল দেওয়ান, সাহিদা নাছরিন যুথি, শ্যামা রানী দে, শারমীন লালনী, শাহানা পারভীন শানু, আওয়াল বাউল ও সোহেল ভেঁড়ো সহ ১৮ জন শিল্পী রাত এগারটা পর্যন্ত জনপ্রিয় সব গান পরিবেশন করেন। 
 
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, শাহ আবদুল করিম তাঁর গানে বলতে চেয়েছেন ভাগ্য-বিড়ম্বিত মানুষের গল্প। এর বাইরে বাউলসাধনা, নিগূঢ়তত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, মনঃশিক্ষা, মানুষ-ভজনা, ভক্তিগীতি এবং বিচ্ছেদ গানও রচনা করেছেন। বাউল গান আর গণসংগীতের পাশাপাশি তাঁর রচিত বিচ্ছেদ গানগুলো হালের তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামের এই বাউলশিল্পী প্রায় ৫০০ গান রচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
রাজবাড়ী মেইল

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাজবাড়ীতে ১৮ শিল্পী গভীররাত পর্যন্ত গাইলেন বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ মানুষের জীবন, প্রেম, বিরহ, সমাজ ও দর্শনের কথা বলে যাওয়া বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমকে গান ও আলোচনায় স্মরণ করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাজবাড়ী পৌর শহরের আজাদী ময়দান মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠানটি হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠন  ‘মুক্ত আনন্দ, রাজবাড়ী’।

আয়োজকেরা জানান, বাউলসাধক শাহ আবদুল করিম ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দেহত্যাগ করেন। ১৯১৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী এই সাধকের গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ছিল ১৮তম মৃত্যুদিবস। মহান এই শিল্পী 'আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম', 'বন্দে মায়া লাগাইছে', 'আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা'-সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের রচয়িতা।

সন্ধ্যায় বাউলগানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। মাঝখানে ছিল আলোচনা পর্ব। এরপর আবারও বাউলগান শুরু হয়ে রাত ১১টায় পরিবেশনা শেষ হয়।

আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজ পারভীন। মুখ্য আলোচকের বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লোকসংস্কৃতি গবেষক ও শাহ আব্দুল করিম-জীবনীকার সাংবাদিক সুমনকুমার দাশ।

প্রধান অতিথি আফরোজা পারভীন বক্তব্যে বলেন, 'আমরা শাহ আবদুল করিমের গান শুনি। গানগুলো কিন্তু আমাদের অভিভূত করে। বন্দে মায়া লাগাইছে, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম, এ গানগুলো শুধুমাত্র গান নয়, এগুলো কালজয়ী স্মৃতি। এ গানগুলো আমাদের হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। গানগুলো মানুষে মানুষে সম্প্রীতি, মানুষে মানুষে ভালোবাসা এবং সমতা-মানবতার কথা বলে। এ গান থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। যেটা মানুষ হিসেবে আমাদের মানবিক বৈশিষ্টগুলোকে উন্নত করবে এবং আমরা কিভাবে সমাজে সম্প্রীতি বজায় রাখতে পারবো দীক্ষা নেই।'

আলোচনা পর্বের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠন ‘মুক্ত আনন্দ’র সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস তালুকদার। কবি পারভীন হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল হাসান এবং রাজবাড়ী জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি এম বাচ্চু রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মো. আজিজুল হক, সাংস্কৃতিক সংগঠক কাজী মিজানুর রহমান পলাশ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মীর মশাররফ হোসেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাজ্জাকুল আলম। এ সময় জেলার নানা শ্রেণি পেশার মানুষ অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। 

অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক হিসেবে সুমনকুমার দাশ শাহ আবদুল করিমের জীবন ও কর্মের পাশাপাশি প্রয়াত বাউলের শেষ দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন। করিমের জীবন ও দর্শনের এই গবেষক বক্তব্যে বলেন, 'শাহ আবদুল করিম নিজে যা বিশ্বাস করতেন, সেটা তাঁর গানেও প্রকাশ করতেন। মনুষ্যত্ববোধ, সততা, নির্লোভ মনোভাব ছিল তাঁর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখার কারণেও তাঁর গান বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।'

আলোচনা পর্বের পর অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক শাহ আবদুল করিমের প্রথম জীবনীকার সুমনকুমার দাশকে সম্মাননা-ক্রেস্ট ও রাজবাড়ীর ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে রচিত বই উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। পরে আবারও গানের পরিবেশনা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে নবীন-প্রবীণ ১৮ জন শিল্পী শাহ আবদুল করিমের প্রচলিত ও অপ্রচলিত গান পরিবেশন করেন। 

শিল্পীদের মধ্যে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল হাসান--‘গান গাই আমার মনকে বুঝাই, মন থাকে পাগল পাড়া’, শিল্পী কাজী মিজানুর রহমান পলাশ-‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু-ছাইড়া যাইবা যদি’, জান্নাতুল ফেরদৌস মিমি-‘বন্ধে মাইয়া লাগাইছে-পিরিতি শিখাইছে’- এমন জনপ্রিয় গান সহ সুমন আহম্মেদ, আশরাফুল আলম, সুমনা বাউল, দুলাল দেওয়ান, সাহিদা নাছরিন যুথি, শ্যামা রানী দে, শারমীন লালনী, শাহানা পারভীন শানু, আওয়াল বাউল ও সোহেল ভেঁড়ো সহ ১৮ জন শিল্পী রাত এগারটা পর্যন্ত জনপ্রিয় সব গান পরিবেশন করেন। 
 
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, শাহ আবদুল করিম তাঁর গানে বলতে চেয়েছেন ভাগ্য-বিড়ম্বিত মানুষের গল্প। এর বাইরে বাউলসাধনা, নিগূঢ়তত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, মনঃশিক্ষা, মানুষ-ভজনা, ভক্তিগীতি এবং বিচ্ছেদ গানও রচনা করেছেন। বাউল গান আর গণসংগীতের পাশাপাশি তাঁর রচিত বিচ্ছেদ গানগুলো হালের তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামের এই বাউলশিল্পী প্রায় ৫০০ গান রচনা করেন।


রাজবাড়ী মেইল

সম্পাদক: রাশেদ ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৫ । সর্বস্ব সংরক্ষিত রাজবাড়ী মেইল