নিজস্ব প্রতিবেদক, বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত পাঁচটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়েছে। রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বহরপুর বাজার বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পাটের গুদাম, ফার্মেসী, মুদি দোকান, রাইস মিলসহ পাঁচটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় ছয় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভে।
খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার সহ রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানায়, রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর বাাজরের পাট ব্যবসায়ী আফতাবুজ্জামানের পাটের গুদাম ঘর থেকে প্রথম আগুন দেখা দেয়। বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে তাদের সাথে রাজবাড়ী ও কালুখালী ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট আগুন নেভানোর জন্য আসলেও তাদের ব্যবহার করা লাগেনি। রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানার তত্বাবধানে বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের কর্মীরা প্রায় তিন ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।
বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন লস্কর বলেন, রাত তিনটার দিকে খবর পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে সোয়া তিনটা থেকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় তিন ঘন্টা চেষ্টার পর আজ সকাল ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এ ছাড়া সকাল ৯টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নেভাতে সক্ষম হন। প্রথম দিকে আগুনের লেলিহান দেখে কালুখালী ও রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাওয়া হলেও আগুন চারদিকে আর বেশি না ছড়ানোয় তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে আমরা বালিয়াকান্দি ষ্টেশনের কর্মীরাই আগুন নেভাতে সক্ষম হই।
তিনি আরও বলেন, বাজারের বড় ব্যবসায়ী আফতাবুজ্জামানের পাটের গুদাম ঘর থেকে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারনে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আফতাবুজ্জামানের পাটের ব্যবসাটি যৌথ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হতো। আব্দুল জলিলের রাইস ও তেলের মিলসহ তাঁর ছেলে জাহিদুল ইসলামের ওষুধের দোকান, স্থানীয় ইমরুল হাসান সুমনের ওষুধের দোকান, মিরাজুল হকের মুদি দোকানসহ পাঁচটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কিছু প্রতিষ্ঠান আগুন থেকে রক্ষার চেষ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রাথমকিভাবে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত পাঁচটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়েছে। রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বহরপুর বাজার বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পাটের গুদাম, ফার্মেসী, মুদি দোকান, রাইস মিলসহ পাঁচটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় ছয় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভে।
খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার সহ রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানায়, রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর বাাজরের পাট ব্যবসায়ী আফতাবুজ্জামানের পাটের গুদাম ঘর থেকে প্রথম আগুন দেখা দেয়। বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে তাদের সাথে রাজবাড়ী ও কালুখালী ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট আগুন নেভানোর জন্য আসলেও তাদের ব্যবহার করা লাগেনি। রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানার তত্বাবধানে বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের কর্মীরা প্রায় তিন ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।
বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন লস্কর বলেন, রাত তিনটার দিকে খবর পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে সোয়া তিনটা থেকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় তিন ঘন্টা চেষ্টার পর আজ সকাল ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এ ছাড়া সকাল ৯টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নেভাতে সক্ষম হন। প্রথম দিকে আগুনের লেলিহান দেখে কালুখালী ও রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাওয়া হলেও আগুন চারদিকে আর বেশি না ছড়ানোয় তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে আমরা বালিয়াকান্দি ষ্টেশনের কর্মীরাই আগুন নেভাতে সক্ষম হই।
তিনি আরও বলেন, বাজারের বড় ব্যবসায়ী আফতাবুজ্জামানের পাটের গুদাম ঘর থেকে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারনে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আফতাবুজ্জামানের পাটের ব্যবসাটি যৌথ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হতো। আব্দুল জলিলের রাইস ও তেলের মিলসহ তাঁর ছেলে জাহিদুল ইসলামের ওষুধের দোকান, স্থানীয় ইমরুল হাসান সুমনের ওষুধের দোকান, মিরাজুল হকের মুদি দোকানসহ পাঁচটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কিছু প্রতিষ্ঠান আগুন থেকে রক্ষার চেষ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রাথমকিভাবে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন