নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ সরকারকে এখন বিরাট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। সরকার নতুন এসেছে, বিদ্যুতের সমস্যা, তেলের সমস্যা। এই সমস্যাগুলো কিন্তু বিএনপি এসে সৃষ্টি করেনি, এটা বিগত সরকারের সৃষ্ট সমস্যা। দীর্ঘদিন নানা অবস্থ্যাপনার কারনে বাংলাদেশের অর্থনীতি এই পর্যায়ে চলে এসেছে। এই অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা, দেশটাকে ঠিক করা সেটা দীর্ঘ আলোচনার বিষয়। সেটা আমাদের সামনে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ।
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান ভেঙে গেছে। কোন একটা প্রতিষ্ঠান ঠিক নাই। আমাদের দেশে সরকার যেভাবে আগে চলেছে, প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান- সেটা আপনি আইন বলেন, কোটকাচারী বলেন, পুলিশ বলেন, কৃষি অফিস বলেন, যে কোন অফিস আদালত বলেন, যে কোন স্থানীয় সরকার বলেন। বিচার আইন, সমস্ত যা কিছু বাংলাদেশে আছে- সবকিছু গত সরকার নষ্ট করে গেছে। ফলে এটাকে ঠিক করে রাষ্ট্রকে মেরামত করা চাট্টিখানি কথা নয়। এটা বললেই হবে না যে, কাল সকাল বেলায় যেন সব চকচক করে। যে সমস্ত ঝামেলা ছিল, বাংলাদেশে আছে এগুলো কাল সকালবেলাই যেন ঠিক হয়ে যাবে, এটা মনে করার কোনো কারন নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঠিক করা এবং সমাজটাকে ঠিক করে একটা শান্তিপূর্ণ জায়গায় আনা সরকারের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে-বিদেশে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে অনেক রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। আমাদের এই দেশ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে এই দেশ নিয়ে দেশে-বিদেশে অনেক খেলা হয়। সুতরাং এটাকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে দেশে বিদেশে। আমাদের পাশের দেশে ভারতে বসে শেখ হাসিনা কি করছে। সুতরাং দেশে বিদেশে কিন্তু নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চললে। সেটাও কিন্তু সরকারকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আরেকটা বড় প্রবণতা দেখছেন, আমাদের দেশে উগ্র মৌলবাদের দেখা দিয়েছে। শেখ হাসিনা দেশে দীর্ঘদিন সেটাকে লালন পালন করেছেন। উগ্র মৌলবাদের একটা আষ্ফলান চারদিকে আমরা খেয়াল করছি। আমরা চাই হিন্দু, মসুলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সমস্ত জাতি গোষ্ঠির মানুষ এক সঙ্গে মিলেমিশে থাকবো। কিন্তু এখানে একটা বিভাজন তৈরী করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এলাকার বিষয়ও ভাবতে হচ্ছে। রাজবাড়ীর ইতিহাসে যে উন্নয়ন হয়নি তা হবে। বিগত ৫০ বছরে, বৃটিশ আমল থেকে ধরলে ১০০ বছরে যা হয়নি আগামী পাঁচ বছরে হবে। পদ্মা ব্যারেজ, পদ্মাসেতু, রাজবাড়ীতে রেলওয়ের বৃহত্তম ওয়ার্কশপ নির্মিত হচ্ছে। এসব হলে রাজবাড়ী জেলার চেহারাই পাল্টে যাবে। বহু দুষ্ঠলোক থাকে ভালো কাজকে নষ্ট করার। আমাদের সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বলতে পারি, আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন ইনশাআল্লাহ হবে। নিজেদের মধ্যে রাগ ঘোষা ঠেলাঠেলি বাদ গিয়ে একত্রে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নঈম আনসারীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আহসান হাবীব, যুগ্ম আহ্বায়ক আকমল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য ও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কে এ সবুর শাহিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহসানুল করিম হিটু চৌধুরী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খায়রুল আনাম বকুল, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আয়বুর রহমান আয়ুব প্রমূখ।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ সরকারকে এখন বিরাট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। সরকার নতুন এসেছে, বিদ্যুতের সমস্যা, তেলের সমস্যা। এই সমস্যাগুলো কিন্তু বিএনপি এসে সৃষ্টি করেনি, এটা বিগত সরকারের সৃষ্ট সমস্যা। দীর্ঘদিন নানা অবস্থ্যাপনার কারনে বাংলাদেশের অর্থনীতি এই পর্যায়ে চলে এসেছে। এই অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা, দেশটাকে ঠিক করা সেটা দীর্ঘ আলোচনার বিষয়। সেটা আমাদের সামনে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ।
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান ভেঙে গেছে। কোন একটা প্রতিষ্ঠান ঠিক নাই। আমাদের দেশে সরকার যেভাবে আগে চলেছে, প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান- সেটা আপনি আইন বলেন, কোটকাচারী বলেন, পুলিশ বলেন, কৃষি অফিস বলেন, যে কোন অফিস আদালত বলেন, যে কোন স্থানীয় সরকার বলেন। বিচার আইন, সমস্ত যা কিছু বাংলাদেশে আছে- সবকিছু গত সরকার নষ্ট করে গেছে। ফলে এটাকে ঠিক করে রাষ্ট্রকে মেরামত করা চাট্টিখানি কথা নয়। এটা বললেই হবে না যে, কাল সকাল বেলায় যেন সব চকচক করে। যে সমস্ত ঝামেলা ছিল, বাংলাদেশে আছে এগুলো কাল সকালবেলাই যেন ঠিক হয়ে যাবে, এটা মনে করার কোনো কারন নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঠিক করা এবং সমাজটাকে ঠিক করে একটা শান্তিপূর্ণ জায়গায় আনা সরকারের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে-বিদেশে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে অনেক রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। আমাদের এই দেশ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে এই দেশ নিয়ে দেশে-বিদেশে অনেক খেলা হয়। সুতরাং এটাকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে দেশে বিদেশে। আমাদের পাশের দেশে ভারতে বসে শেখ হাসিনা কি করছে। সুতরাং দেশে বিদেশে কিন্তু নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চললে। সেটাও কিন্তু সরকারকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আরেকটা বড় প্রবণতা দেখছেন, আমাদের দেশে উগ্র মৌলবাদের দেখা দিয়েছে। শেখ হাসিনা দেশে দীর্ঘদিন সেটাকে লালন পালন করেছেন। উগ্র মৌলবাদের একটা আষ্ফলান চারদিকে আমরা খেয়াল করছি। আমরা চাই হিন্দু, মসুলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সমস্ত জাতি গোষ্ঠির মানুষ এক সঙ্গে মিলেমিশে থাকবো। কিন্তু এখানে একটা বিভাজন তৈরী করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এলাকার বিষয়ও ভাবতে হচ্ছে। রাজবাড়ীর ইতিহাসে যে উন্নয়ন হয়নি তা হবে। বিগত ৫০ বছরে, বৃটিশ আমল থেকে ধরলে ১০০ বছরে যা হয়নি আগামী পাঁচ বছরে হবে। পদ্মা ব্যারেজ, পদ্মাসেতু, রাজবাড়ীতে রেলওয়ের বৃহত্তম ওয়ার্কশপ নির্মিত হচ্ছে। এসব হলে রাজবাড়ী জেলার চেহারাই পাল্টে যাবে। বহু দুষ্ঠলোক থাকে ভালো কাজকে নষ্ট করার। আমাদের সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বলতে পারি, আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন ইনশাআল্লাহ হবে। নিজেদের মধ্যে রাগ ঘোষা ঠেলাঠেলি বাদ গিয়ে একত্রে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নঈম আনসারীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আহসান হাবীব, যুগ্ম আহ্বায়ক আকমল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য ও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কে এ সবুর শাহিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহসানুল করিম হিটু চৌধুরী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খায়রুল আনাম বকুল, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আয়বুর রহমান আয়ুব প্রমূখ।

আপনার মতামত লিখুন