ইমরান মনিম, রাজবাড়ীঃ প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, যে বাংলাদেশের যুব সমাজের চল্লিশ শতাংশ কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাই, কোন প্রশিক্ষণে নাই, কোন কর্মসংস্থানেও নাই। এই রকম যাদের মেরিটোরিয়াস, আপনারা তাালিকা দেখেন, দেখবেন যে একটা পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের নীতির ধারাবাহিকতা। এটা মৌলিক প্রশ্ন, কারণ আমাদের দেশে হওয়ার দরকার ছিল ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট’ অর্থাৎ জনমিতিক লভ্যাংশ।
গতকাল শুক্রবার (৭ আগষ্ট) সন্ধ্যায় রাজবাড়ী পৌরসভার রজনীগন্ধ্যা মিলনায়তনে ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজবাড়ী জেলা পরিষদের অর্থায়নে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা পরিষদ। অনুষ্ঠানে মোট ৯১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন অংকে মোট ১৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, যে কোন দেশে পৃথিবীতে এগিয়ে যায় তখনই, যার যুব সমাজ অর্থনীতিকভাবে ক্রীয়াশীল হয়। এই এটা সবগুলো দেশে একবার আসে এবং এটা সর্বোচ্চ। অর্থাৎ বিটশীল ২০২০ সাল থেকে ২০২২ সাল। আর এটা শেষ হবে ২০৩৫ সাল থেকে ২০৪০ সাল। তার নামে ইতিমধ্যেই ৬০ শতাংশ আমাদের দেশ থেকে, জাতি থেকে হারিয়ে গেছে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
সামাজিক বিরোধ সৃষ্টি করতে উগ্র মৌলবাদের একটি পদচারণা দেখতে পাচ্ছেন জানিয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, এই সমস্যা প্রত্যেকটি পরতে পরতে সরকারকে ফেস করতে হচ্ছে। এই সমস্ত বিষয় মোকাবেলা করেই সরকারের প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক কল্যান চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির প্রমূখ।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এডিপির বিশেষ বরাদ্দের আওতায় সদর উপজেলার ১৯৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র (হারমোনিয়াম ও তবলা) এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
এই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি রাজবাড়ী থেকে ২৫ জন শিশুকে অ্যাক্রোবেটিকের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য চীনে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে এলে বাংলাদেশের সার্কাসকে বিশ্বমানের আধুনিক অ্যাক্রোবেটিক সার্কাসে রুপান্তরের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
এছাড়া আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও কর্মময় জীবন নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় থেকে আঞ্চলিক উৎসব ও জাতীয় পর্যায়ে আয়োজন করা হবে। সারাদেশ থেকে বাছাইকৃত শিল্পীরা ঢাকায় যাবেন। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হবে। যাত্রা শিল্পকেও চীনের অপেরার আদলে আমরা আনবো।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
ইমরান মনিম, রাজবাড়ীঃ প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, যে বাংলাদেশের যুব সমাজের চল্লিশ শতাংশ কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাই, কোন প্রশিক্ষণে নাই, কোন কর্মসংস্থানেও নাই। এই রকম যাদের মেরিটোরিয়াস, আপনারা তাালিকা দেখেন, দেখবেন যে একটা পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের নীতির ধারাবাহিকতা। এটা মৌলিক প্রশ্ন, কারণ আমাদের দেশে হওয়ার দরকার ছিল ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট’ অর্থাৎ জনমিতিক লভ্যাংশ।
গতকাল শুক্রবার (৭ আগষ্ট) সন্ধ্যায় রাজবাড়ী পৌরসভার রজনীগন্ধ্যা মিলনায়তনে ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজবাড়ী জেলা পরিষদের অর্থায়নে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা পরিষদ। অনুষ্ঠানে মোট ৯১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন অংকে মোট ১৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, যে কোন দেশে পৃথিবীতে এগিয়ে যায় তখনই, যার যুব সমাজ অর্থনীতিকভাবে ক্রীয়াশীল হয়। এই এটা সবগুলো দেশে একবার আসে এবং এটা সর্বোচ্চ। অর্থাৎ বিটশীল ২০২০ সাল থেকে ২০২২ সাল। আর এটা শেষ হবে ২০৩৫ সাল থেকে ২০৪০ সাল। তার নামে ইতিমধ্যেই ৬০ শতাংশ আমাদের দেশ থেকে, জাতি থেকে হারিয়ে গেছে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
সামাজিক বিরোধ সৃষ্টি করতে উগ্র মৌলবাদের একটি পদচারণা দেখতে পাচ্ছেন জানিয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, এই সমস্যা প্রত্যেকটি পরতে পরতে সরকারকে ফেস করতে হচ্ছে। এই সমস্ত বিষয় মোকাবেলা করেই সরকারের প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক কল্যান চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির প্রমূখ।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এডিপির বিশেষ বরাদ্দের আওতায় সদর উপজেলার ১৯৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র (হারমোনিয়াম ও তবলা) এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
এই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি রাজবাড়ী থেকে ২৫ জন শিশুকে অ্যাক্রোবেটিকের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য চীনে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে এলে বাংলাদেশের সার্কাসকে বিশ্বমানের আধুনিক অ্যাক্রোবেটিক সার্কাসে রুপান্তরের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
এছাড়া আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও কর্মময় জীবন নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় থেকে আঞ্চলিক উৎসব ও জাতীয় পর্যায়ে আয়োজন করা হবে। সারাদেশ থেকে বাছাইকৃত শিল্পীরা ঢাকায় যাবেন। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হবে। যাত্রা শিল্পকেও চীনের অপেরার আদলে আমরা আনবো।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন