রাজবাড়ী মেইল
প্রকাশ : সোমবার, ১১ মে ২০২৬

উত্তরাধিকার সূত্রে দেশের চল্লিশ শতাংশ যুব সমাজ কোন শিক্ষায় নেই - প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা তিুতমীর

উত্তরাধিকার সূত্রে দেশের চল্লিশ শতাংশ যুব সমাজ কোন শিক্ষায় নেই - প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা তিুতমীর

পতিত সরকার শিক্ষা, সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে - রাজবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা তিতুমীর

পতিত সরকার শিক্ষা, সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে - রাজবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা তিতুমীর

রাজবাড়ীতে র‌্যাবের হাতে সাব-মেশিনগান ও বিদেশী পিস্তল, গুলি সহ গ্রেপ্তার ২

রাজবাড়ীতে র‌্যাবের হাতে সাব-মেশিনগান ও বিদেশী পিস্তল, গুলি সহ গ্রেপ্তার ২

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময়

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময়

রাজবাড়ীর পাংশায় সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

রাজবাড়ীর পাংশায় সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আট মাদক মামলার আসামী হেরোইনসহ গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আট মাদক মামলার আসামী হেরোইনসহ গ্রেপ্তার

গোয়ালন্দে ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল হুদা

গোয়ালন্দে ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল হুদা

রাজবাড়ীতে ফ্যামিলিকার্ড শুমারির জরিপকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ

রাজবাড়ীতে ফ্যামিলিকার্ড শুমারির জরিপকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ

রাজবাড়ীতে দুই বন্ধু মিলে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, তরুণকে আটক করে পুলিশে দিল এলাকাবাসী

রাজবাড়ীতে দুই বন্ধু মিলে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, তরুণকে আটক করে পুলিশে দিল এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলায় বেড়ানোর কথা বলে প্রেমিক ও তার বন্ধু মিলে প্রেমিকাকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে কিশোরীর বাড়ি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরের একটি ফাঁকা মাঠে ঘটনাটি ঘটে। 

এ ঘটনায় এলাকাবাসী রাতেই মোটরসাইকেলসহ এক তরুণকে আটক করে রোববার পুলিশে দিয়েছে। তাদেরকে আজ সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। 

আটককৃত তরুণ নাহিদুল ইসলাম (২০) গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়ার এলেম মন্ডলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি কলেজের মানবিক বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের বিলডাঙ্গা গ্রামে নানা বাড়ি থেকে পড়াশোনা করতো। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে রোববার সন্ধ্যায় গোয়ালন্দ ঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।  

স্থানীয়রা জানান, গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের ওই কিশোরী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ছোটভাকলা ইউপির বটতলা শহীদের দোকান এলাকার কুদ্দুস শেখের ছেলে রায়হান শেখের (২০) সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শনিবার (৯ মে) রাত দশটার দিকে কিশোরীর সাথে দেখা করতে গিয়ে বেড়ানোর কথা বলে বাড়ির সামনে থেকে রায়হান ও তার বন্ধু নাহিদুল মোটরসাইকেলে বাড়ি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে শহীদের দোকানের পিছনের মাঠে নিয়ে যায়। এ সময় দুই বন্ধু মিলে মদ পান করে জোরপূর্বক পালাক্রমে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ঘটনা কাউকে না বলতে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাত ১২টার দিকে কিশোরীকে এলাকায় নামিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন নাহিদুলকে আটক করে মারধর দিয়ে এলাকার মাতুব্বর ফরিদ মুন্সির বাড়িতে রাখে। তবে এর আগেই রায়হান পালিয়ে যায়।      

কিশোরী জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফোন করে দেখা করতে এসে বেড়ানোর কথা বলে মোটরসাইকেলে করে রায়হানদের বাড়ির কাছে একটি মাঠে নিয়ে যায়। এ সময় দুই বন্ধু মদ পান করে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে প্রথমে রায়হান পরে নাহিদুলও জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। রাত ১২টার দিকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দিলে স্থানীয় লোকজন নাহিদকে আটক করে। কিন্তু রায়হান পালিয়ে চলে যায়। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।  

অভিযুক্ত নাহিদুল ইসলাম জানায়, রায়হান আমাকে সঙ্গে নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর থেকে এক বোতল মদ কিনে আসে। রাতে তার প্রেমিকাকে নিয়ে আমার মোটরসাইকেলে ঘুরতে আসে। এ সময় ফাঁকা মাঠে রায়হান তাকে ধর্ষণ করে। পরে আমাকে ডাক দিলে আমি ধর্ষণের চেষ্টা করি, তবে ধর্ষণ করিনি।

স্থানীয় মাতুব্বর ফরিদ মুন্সি বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এলাকার লোকজন একটি মেয়ে ও একটি ছেলেকে ধরে আমার বাড়িতে নিয়ে আসে। তাদের কাছ থেকে ঘটনা জানার পর প্রাথমিকভাবে দুই পরিবার বিষয়টি মীমাংসার চেস্টা করে ব্যার্থ হয়। পরদিন রোববার সকালে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে তাদেরকে নিয়ে যায়।  

গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, কিশোরীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে এলাকাবাসী মোটরসাইকেলসহ তরুণকে আটক করে পুলিশে দেয়। কিশোরীর মা বাদী হয়ে রোববার সন্ধ্যায় রায়হান ও তার বন্ধু নাহিদুলকে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সোমবার দুপুরে সদর হাসপাতালে এবং তরুণকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামি রায়হানকে ধরতে চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
রাজবাড়ী মেইল

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


রাজবাড়ীতে দুই বন্ধু মিলে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, তরুণকে আটক করে পুলিশে দিল এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলায় বেড়ানোর কথা বলে প্রেমিক ও তার বন্ধু মিলে প্রেমিকাকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে কিশোরীর বাড়ি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরের একটি ফাঁকা মাঠে ঘটনাটি ঘটে। 

এ ঘটনায় এলাকাবাসী রাতেই মোটরসাইকেলসহ এক তরুণকে আটক করে রোববার পুলিশে দিয়েছে। তাদেরকে আজ সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। 

আটককৃত তরুণ নাহিদুল ইসলাম (২০) গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়ার এলেম মন্ডলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি কলেজের মানবিক বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের বিলডাঙ্গা গ্রামে নানা বাড়ি থেকে পড়াশোনা করতো। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে রোববার সন্ধ্যায় গোয়ালন্দ ঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।  

স্থানীয়রা জানান, গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের ওই কিশোরী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ছোটভাকলা ইউপির বটতলা শহীদের দোকান এলাকার কুদ্দুস শেখের ছেলে রায়হান শেখের (২০) সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শনিবার (৯ মে) রাত দশটার দিকে কিশোরীর সাথে দেখা করতে গিয়ে বেড়ানোর কথা বলে বাড়ির সামনে থেকে রায়হান ও তার বন্ধু নাহিদুল মোটরসাইকেলে বাড়ি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে শহীদের দোকানের পিছনের মাঠে নিয়ে যায়। এ সময় দুই বন্ধু মিলে মদ পান করে জোরপূর্বক পালাক্রমে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ঘটনা কাউকে না বলতে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাত ১২টার দিকে কিশোরীকে এলাকায় নামিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন নাহিদুলকে আটক করে মারধর দিয়ে এলাকার মাতুব্বর ফরিদ মুন্সির বাড়িতে রাখে। তবে এর আগেই রায়হান পালিয়ে যায়।      

কিশোরী জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফোন করে দেখা করতে এসে বেড়ানোর কথা বলে মোটরসাইকেলে করে রায়হানদের বাড়ির কাছে একটি মাঠে নিয়ে যায়। এ সময় দুই বন্ধু মদ পান করে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে প্রথমে রায়হান পরে নাহিদুলও জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। রাত ১২টার দিকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দিলে স্থানীয় লোকজন নাহিদকে আটক করে। কিন্তু রায়হান পালিয়ে চলে যায়। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।  

অভিযুক্ত নাহিদুল ইসলাম জানায়, রায়হান আমাকে সঙ্গে নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর থেকে এক বোতল মদ কিনে আসে। রাতে তার প্রেমিকাকে নিয়ে আমার মোটরসাইকেলে ঘুরতে আসে। এ সময় ফাঁকা মাঠে রায়হান তাকে ধর্ষণ করে। পরে আমাকে ডাক দিলে আমি ধর্ষণের চেষ্টা করি, তবে ধর্ষণ করিনি।

স্থানীয় মাতুব্বর ফরিদ মুন্সি বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এলাকার লোকজন একটি মেয়ে ও একটি ছেলেকে ধরে আমার বাড়িতে নিয়ে আসে। তাদের কাছ থেকে ঘটনা জানার পর প্রাথমিকভাবে দুই পরিবার বিষয়টি মীমাংসার চেস্টা করে ব্যার্থ হয়। পরদিন রোববার সকালে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে তাদেরকে নিয়ে যায়।  

গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, কিশোরীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে এলাকাবাসী মোটরসাইকেলসহ তরুণকে আটক করে পুলিশে দেয়। কিশোরীর মা বাদী হয়ে রোববার সন্ধ্যায় রায়হান ও তার বন্ধু নাহিদুলকে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সোমবার দুপুরে সদর হাসপাতালে এবং তরুণকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামি রায়হানকে ধরতে চেষ্টা চলছে।


রাজবাড়ী মেইল

সম্পাদক: রাশেদ ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৫ । সর্বস্ব সংরক্ষিত রাজবাড়ী মেইল