নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে রাতে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে নগদ দুই লাখ টাকা এবং প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার গভীররাতে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার নুরু শেখ (৬৫), তাঁর স্ত্রী হামিদা বেগম (৫৫) ও তাঁদের প্রবাস ফেরত ছেলে জুয়েল শেখ (২৭)। বর্তমানে আহতরা কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে চিহিৃত এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করে শনিবার কালুখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নুরু শেখের স্ত্রী হামিদা বেগম।
অভিযোগে জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে এগারটার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বাড়ির টিনের চালে ঢিল ছুড়ে। পরে তাদের মধ্যে একজন বাবলু শেখ পরিচয়ে গেট খুলতে বললে পরিবারের সদস্যরা গেট খুলে দেন। গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তরা পিস্তল সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে নুরু শেখ, স্ত্রী হামিদা বেগম ও তার ছেলে জুয়েল শেখকে জিম্মি করে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। এ সময় দুর্বৃত্তদের মধ্যে স্থানীয় বাবলু শেখ সহ কয়েকজনকে তারা চিনতে পারেন।
কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন সৌদি প্রবাস ফেরত জুয়েল শেখ জানান, দুর্বৃত্তরা বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে আমাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এ সময় তারা অস্ত্রের বাট দিয়ে আমাকে প্রচণ্ড মারধর করে। এ সময় তারা আলমারি ও বাক্স খুলে দিতে বাধ্য করে। পরে আলমারি থেকে নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা এবং একটি গলার হার, একটি চেইন, এক জোড়া হাতের বালা ও দুই জোড়া কানের দুলসহ প্রায় পাঁচ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। বাধা দিলে তারা আমাকে, আমার বাবাকে এবং মাকে মারধর করে আহত করেন। দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার সময় মামলা করলে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।
পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে শনিবার (১ আগষ্ট) বিকেলে কালুখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় বাবলুর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন না ধরায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোস্তফা কামাল বলেন, স্থানীয় আধিপত্যের বিস্তারকে কেন্দ্র দুটি পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ ঘটনার তারই একটা অংশ। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় শনিবার বিকেলে থানায় অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে রাতে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে নগদ দুই লাখ টাকা এবং প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার গভীররাতে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার নুরু শেখ (৬৫), তাঁর স্ত্রী হামিদা বেগম (৫৫) ও তাঁদের প্রবাস ফেরত ছেলে জুয়েল শেখ (২৭)। বর্তমানে আহতরা কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে চিহিৃত এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করে শনিবার কালুখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নুরু শেখের স্ত্রী হামিদা বেগম।
অভিযোগে জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে এগারটার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বাড়ির টিনের চালে ঢিল ছুড়ে। পরে তাদের মধ্যে একজন বাবলু শেখ পরিচয়ে গেট খুলতে বললে পরিবারের সদস্যরা গেট খুলে দেন। গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তরা পিস্তল সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে নুরু শেখ, স্ত্রী হামিদা বেগম ও তার ছেলে জুয়েল শেখকে জিম্মি করে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। এ সময় দুর্বৃত্তদের মধ্যে স্থানীয় বাবলু শেখ সহ কয়েকজনকে তারা চিনতে পারেন।
কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন সৌদি প্রবাস ফেরত জুয়েল শেখ জানান, দুর্বৃত্তরা বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে আমাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এ সময় তারা অস্ত্রের বাট দিয়ে আমাকে প্রচণ্ড মারধর করে। এ সময় তারা আলমারি ও বাক্স খুলে দিতে বাধ্য করে। পরে আলমারি থেকে নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা এবং একটি গলার হার, একটি চেইন, এক জোড়া হাতের বালা ও দুই জোড়া কানের দুলসহ প্রায় পাঁচ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। বাধা দিলে তারা আমাকে, আমার বাবাকে এবং মাকে মারধর করে আহত করেন। দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার সময় মামলা করলে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।
পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে শনিবার (১ আগষ্ট) বিকেলে কালুখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় বাবলুর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন না ধরায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোস্তফা কামাল বলেন, স্থানীয় আধিপত্যের বিস্তারকে কেন্দ্র দুটি পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ ঘটনার তারই একটা অংশ। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় শনিবার বিকেলে থানায় অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন